অভিজিত রায়ের পিতা অধ্যাপক অজয় রায় স্বাক্ষর করছেন সন্তানের মৃতদেহ মেডিসিন স্কুলে দান করে দেবার অভিপ্রায়পত্র। কাজটা যেকোন বাবার
জন্যই অনেক কঠিন, অজয় রায়দের মতো শিক্ষিত, শৈল্পিক এবং সংবেদনশীল মনের মানুষদের জন্য আরও কঠিন। অথচ দেখে কি মনে হয় না যে- হয়তো তিনি বসে বসে দেখছেন স্নাতক তৃতীয় বর্ষের কোন পদার্থবিজ্ঞান ছাত্রের পরীক্ষার খাতা চশমাভর্তি মনোযোগ আর চোখভর্তি দায়িত্বপুর্ণ অবিশ্রান্ততা নিয়ে? তিনি পুত্রশোকে ঘরে খিল দেননি, লোকচক্ষুর অন্তরালে পলায়ন করেননি, শোকে বাকরোধ হয়নি তাঁর। হয়তোবা সকল কান্নাকে কবর দিয়ে রেখেছেন মনের মধ্যেই, কিন্তু চোখে তাঁর দৃশ্যমান হচ্ছে না ক্রন্দনের ছিটেফোঁটাও। যেমন পিতা ছেলে তো তেমন হবেই, অবাক হবার কি রয়েছে! অন্তরের অন্তঃস্থল হতে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করি তাঁদের চিরউন্নত শিরদ্বয়ের প্রতি। আমাদের কালেক্টিভ মেরুদণ্ড যদি আগামী একশো থেকে একহাজার বছরে এর একশোহাজার ভাগের এক ভাগ দৃঢ়তাও অর্জন করতে পারে এমনকি, নিঃসন্দেহে সেটিকে অভিহিত করা যাবে একটি সত্যিকারের অগ্রগতি হিসেবে।
জন্যই অনেক কঠিন, অজয় রায়দের মতো শিক্ষিত, শৈল্পিক এবং সংবেদনশীল মনের মানুষদের জন্য আরও কঠিন। অথচ দেখে কি মনে হয় না যে- হয়তো তিনি বসে বসে দেখছেন স্নাতক তৃতীয় বর্ষের কোন পদার্থবিজ্ঞান ছাত্রের পরীক্ষার খাতা চশমাভর্তি মনোযোগ আর চোখভর্তি দায়িত্বপুর্ণ অবিশ্রান্ততা নিয়ে? তিনি পুত্রশোকে ঘরে খিল দেননি, লোকচক্ষুর অন্তরালে পলায়ন করেননি, শোকে বাকরোধ হয়নি তাঁর। হয়তোবা সকল কান্নাকে কবর দিয়ে রেখেছেন মনের মধ্যেই, কিন্তু চোখে তাঁর দৃশ্যমান হচ্ছে না ক্রন্দনের ছিটেফোঁটাও। যেমন পিতা ছেলে তো তেমন হবেই, অবাক হবার কি রয়েছে! অন্তরের অন্তঃস্থল হতে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করি তাঁদের চিরউন্নত শিরদ্বয়ের প্রতি। আমাদের কালেক্টিভ মেরুদণ্ড যদি আগামী একশো থেকে একহাজার বছরে এর একশোহাজার ভাগের এক ভাগ দৃঢ়তাও অর্জন করতে পারে এমনকি, নিঃসন্দেহে সেটিকে অভিহিত করা যাবে একটি সত্যিকারের অগ্রগতি হিসেবে।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন